কোন পোশাকে কেমন বেল্ট

নিজেকে আকর্ষণীয়ভাবে উপস্থাপন করতে কে না চায়। যেমনি ছেলে তেমনি মেয়েরাও। তবে আজ কথা বলবো ছেলেদের নিয়ে। ছেলেরা শার্ট-প্যান্টের সঙ্গে হাতঘড়ি, চশমা, আংটি, গলার মালা, ক্যাপ, জুতা, বেল্ট ইত্যাদি পরিধান করে সাজকে আকর্ষণীয় করতে চায়। এগুলোর মধ্যে বেল্ট বিশেষ ভূমিকা রাখে। তবে বেল্টের কালার বা ডিজাইন নির্বাচনে ভুল হলে ফ্যাশন মাটি হয়ে যেতে পারে। তাই কালার কম্বিনেশনে একটু যত্নবান হওয়া জরুরি।

অধিকাংশ মেয়েরাই সাধারণত প্রথম লুকে ছেলেদের বেল্ট এবং জুতার দিকে নজর দেয়। যেমনটা করেন চলচিত্রের আবেদনময়ী নায়িকা নুসরাত ফারিয়া। তিনি বলেন, প্রথম দেখাতেই আমি ছেলেদের বেল্ট এবং জুতার দিকে তাকাই। আর এই তাকানো থেকে অসংখ্যবার প্রেমে পরেছি।

বয়স এবং প্রয়োজনভেদে বেল্ট ভিন্ন হওয়া বাঞ্ছনীয়। ফরমাল ড্রেসআপের সঙ্গে কালো বা হালকা রঙের চিকন বেল্ট। ফরমাল লুকের ক্ষেত্রে বকলেস চকচকে না হওয়াই ভালো। এতে ইন করা স্টাইলকে মার্জিত দেখাবে। এক্ষেত্রে অরিজিনাল লেদারের ফিনিসিং বেল্ট অফিসিয়াল লুক এনে দিতে পারে।

ক্যাজুয়াল ড্রেসআপে মোটা-চিকন বা কালারে কোন বাঁধা নেই। তবে রং বা আকৃতি যেন আপনার রুচি অথবা ব্যক্তিত্বের হানি না করে সেদিকে বিশেষ খেয়াল রাখতে হবে। আনঅফিসিয়ালি আপনি চামড়া, ফাইবার, কাপড় বা আর্টিফিশিয়াল লেদারের বেল্ট পরতে পারেন।

তবে মোটা দাগে বলতে গেলে জুতা, হাতঘড়ি এবং টাইয়ের রঙের সঙ্গে মিল রেখে বেল্ট পরলে উন্নত রুচির পরিচয় বহন করে বলে কথিত রয়েছে। অনেকে পোশাকের রঙের বিপরীত রঙের বেল্ট পরে থাকেন। কেউ আবার হালকা মিলিয়ে পরেন।

মনে রাখুন

বেল্ট বেশি লম্বা হলে দৃষ্টিকটু লাগবে। তাই সঠিক মাপে কাটিয়ে নিন।
যে ছিদ্রে পরবেন তার পর যেন একটার বেশি ছিদ্র বাইরের দিকে না থাকে। অর্থাৎ গোড়ার দিক থেকে এমনভাবে কাটিয়ে নিন যেন আপনি শেষ কিংবা শেষের আগের ছিদ্রে বেল্ট পরতে পারেন।
অবশ্যই যেন লুপ থাকে। না হয় শখের কোমরবন্ধীই আপনার স্টাইলকে নষ্ট করে দিবে।

দরদাম

রাজধানীর বিভিন্ন মার্কেটে বেল্টের দোকানে চামড়ার বেল্ট পাওয়া যাবে ৫০০ থেকে ৩৫০০টাকায়। রেক্সিনের বেল্ট পাবেন ৪০০ থেকে ১০০০ টাকায়। আর কাপড়  এবং সিনথেটিকের বেল্ট পাবেন ৩০০ থেকে ১০০০ টাকার মধ্যে।

কোথায় পাবেন

এখানে একটি কথা খুবই জোর দিয়ে বলতে হয় যে ভালো মানের কোমরবন্ধী চিনে নেয়াটা একটা চ্যালেঞ্জ। এলিফ্যান্ট রোড, নিউমার্কেট, গুলিস্তান, বঙ্গবাজারে বেল্টের পসরা অনেক বেশি। একটু ভরসা রেখে যেতে পারেন বসুন্ধরা সিটি, যমুনা ফিউচার পার্ক, গুলশান পুলিশ প্লাজাসহ বাটা, অ্যাপেক্স, আড়ংয়ের শোরুমগুলোতে।

তবে ঝামেলা এড়াতে ঘরে বসে অনলাইনে অর্ডার করতে পারেন আপনার পছন্দের কোমরবন্ধী বা বেল্ট। অনলাইনেও অনেক ঝামেলার সম্মখীন হয়তো অনেকেই হয়েছেন। তবে সব ঝামেলার অবসান ঘটিয়ে আস্থার সঙ্গে কেনাকাটার এক্সপিরিয়েন্স দিবে Jadroo Online Shop। এখানে রয়েছে বিদেশ থেকে আমদানী করা নানা রঙ এবং আকৃতির কোমরবন্ধী। আপনি নিশ্চিন্তে অর্ডার করতে পারেন। ১০০% মান নিশ্চিতের মাধ্যমে ক্রেতার সন্তুষ্টি অর্জন করাই আমাদের অন্যতম লক্ষ্য।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

fifteen − fourteen =