Maney Bag

মানিব্যাগের মাহাত্ম্য

দামি প্যান্ট-শার্ট-জুতা কিন্তু পকেটে ছেড়া-ফাটা মানিব্যাগ! এমনটা যদি সত্যিই হয় তবে ফ্যাশনের বারোটা বাজবেই। টুকিটাকি কিছু উপাদান ফ্যাশনে যোগ করে অতিরিক্ত মাত্রা। মানিব্যাগ তেমনি একটি। এছাড়াও রয়েছে চশমা, হাতঘড়ি, ব্রেসলেট, ফিঙ্গার রিং এবং পছন্দানুযায়ি আরও অনেক কিছু।

দিন দিন ছেলেদের মধ্যে ওয়ালেট ব্যবহারের প্রচলন বাড়ছে। মানিব্যাগ বলতে টাকার ব্যাগকে বোঝানো হলেও এখন শুধু টাকাই নয়, রাখা যায় ডেবিট কার্ড, ক্রেডিট কার্ড, ভিজিটিং কার্ড, আইডিকার্ড এমনকি চাবির রিংও। কিছু ওয়ালেট এমনভাবে বানানো যা কার্ড হোল্ডার এবং মানিব্যাগ দুই কাজেই ব্যবহার করা যায়।

আকার-আকৃতি

ছবি: আকার-আকৃতি

বাজারে নানা ধরনের ওয়ালেট পাওয়া যায়। আকারে ছোট-বড়-লম্বা, কম চেম্বার, বেশি চেম্বার ইত্যাদি। আর্টিফিসিয়াল লেদার, রেকসিন, সিনথেটিক, পাট, চামড়া এবং বোতাম দিয়ে ওয়ালেট তৈরি করা হয়। ক্ষেত্র বিশেষে ফেব্রিক দিয়েও বানানো হয়ে থাকে। দেয়া হয় বর্ণিল প্রিন্ট। যেসব প্রিন্টে থাকে বিশ্বখ্যাত চিত্রকর্ম, বিভিন্ন দেশের পতাকা, স্পোর্টস ক্লাবগুলোর লোগো, বর্ণমালায় খচিত থাকে মুদ্রা প্রচলনের ইতিহাস, দেশজ এবং বিদেশিয় সংস্কৃতির নানান দৃশ্য।

চাকররিজীবীরা বেশি পছন্দ করেন কার্ড হোল্ডার টাইপের ওয়ালেট। যেখানে অনেকগুলো চেম্বার থাকে। কখনও কখনও সিম বা রিম কার্ড রাখার চেম্বারও থাকে। শিক্ষার্থীগণ পছন্দ করেন একটু লম্বা সাইজের ওয়ালেট যাতে আইডিকার্ড রাখা যায়। বর্তমানে এমন ওয়ালেটও পাওয়া যায় যাতে আপনার শখের মোবাইলটিও রাখতে পারবেন সযত্নে।

দরদাম

দাম কেমন হবে তা নির্ভর করে ওয়ালেটটি কী উপাদানে তৈরি। তা যদি রেকসিন বা সিনথেটিক দিয়ে বানানো হয় তবে তার দাম হতে পারে ২০০ থেকে ৪০০, চামড়া দিয়ে তৈরি হলে দাম হতে পারে ৫০০ থেকে ৩০০০ টাকা পর্যন্ত। পাট বা ফেব্রিক দিয়ে হাতের তৈরি ওয়ালেট আপনার পছন্দ পূরণ করবে। দাম অবশ্যই সাধ্যের মধ্যে।

কোথায় পাবেন

আপনি বাইরে বের হলেই আওয়াজ শুনে থাকবেন যে ‘চামড়ার মানিব্যাগ ১০০ টাকা, প্যাকেট থেকে নিবেন ৩০০ টাকা’। এই আওয়াজ শুনে কি কখনও কাছে গিয়েছেন? সেখান থেকে মানিব্যাগ কেনার অভিজ্ঞতা কি রয়েছে? যদি থাকে, আমি নিঃসন্দেহে বলতে পারি সেই অভিজ্ঞতা ভয়ানক। কারণ, সেই ওয়ালেট আপনার ব্যক্তিত্বকে পান্সার করে ছেড়েছে।

আবার অনেকেই গুলিস্তান, নিউমার্কেট, ফার্মগেট, পলওয়েলসহ বিভিন্ন মার্কেটে ভালো মানের ওয়ালেট খোঁজার জন্য গিয়ে থাকেন। আমার জানামতে অনেকেই হতাশ হয়েছেন। আবার অনেকেই অনলাইনে ওয়ালেট কিনে ধরা খেয়েছেন।

আপনাদের সবার জন্য একটা বিশ্বস্ত ওয়ালেটের ঠিকানা হতে পারে Jadroo Online Shop। এখানে রয়েছে বিদেশি ওয়ালেটের রকমারি কালেকশন। যা আপনাদের পছন্দতো হবেই দামও বাজারে অন্যসব অনলাইন এবং অফলাইন মার্কেটের চেয়ে কম। বাসায় বসে অর্ডার করলেই কাঙ্ক্ষিত সময়ের মধ্যে পৌঁছে যাবে আপনার ঠিকানায়। তাই Jadroo Exclusive Wallet Collection in Bangladesh দেখতে ভিজিট করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

4 − 2 =