ঘরে-বসে-করুন-গ্লামারাস-মেকআপ

ঘরে বসে করুন গ্লামারাস মেকআপ

নিজেকে সুন্দরভাবে উপস্থাপন করতে কে না চায়! কথায় আছে, ‘প্রথম দর্শনধারী তারপর গুণবিচারী’। তাই ললনাদের সবাই সাজতে ভালোবাসে। বিশেষ কোন উৎসব বা অনুষ্ঠান তো বটেই কেউ কেউ প্রতিনিয়ত পার্লারে গিয়ে মেকআপ করে। মেকআপ মানেই নিজেকে নতুনভাবে বিন্যাস করা।

পার্লারে গিয়ে মেকআপ করার সময় হয়তো অনেকেরই থাকে না। আবার ব্যয়বহুল হবার কারণে বিশেষ দিন ছাড়া যাওয়া হয় না। তবে আপনি চাইলেই ঘরে বসে নিজেই করতে পারেন মেকআপ। নিয়ে আসতে পারেন গ্লামারাস লুক। জেনে নিন সেইসব মেকআপ টিপস।

ঘরোয়া মেকআপের গোপন টিপস

মেকআপের জন্য ত্বকের টোন জানা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কালো, ফর্সা, শ্যামলা, শুষ্ক এবং তৈলাক্ত ত্বকের জন্য আলাদ টিপস এবং ট্রিকস অ্যাপ্লাই করতে হয়। আজকে আমরা ওভারঅল একটা স্ট্যান্ডার্ড মেকআপের টিপস নিয়ে কথা বলবো। যেগুলো সব ধরনের ত্বকেই প্রয়োগ করতে যাবে।

প্রথমত ভালোভাবে ত্বক ফেসওয়াস বা ক্লিনজার (যেটা আপনি প্রিফার করেন) দিয়ে মুখ ধুয়ে নিতে হবে। এরপর শুকিয়ে ময়েশ্চারাজিং ক্রিম বা লোশন লাগিয়ে ম্যাসেজ করুন। ১০ থেকে ১৫ মিনিট পর শুরু করুন বেস মেকআপ। পরবর্তী ধাপ থেকে শুরু হবে সাজুগুজুর আসল পর্ব।

ত্বকের ধরন বুঝে ফাউন্ডেশন (Foundation Makeup)

ছবি: ত্বকের-ধরন-বুঝে-ফাউন্ডেশন

বেস মেকআপের শুরুতে ত্বকের ধরন অনুযায়ী ফাউন্ডেশন ব্যবহার ত্বকের শেড থেকে এক অথবা দুই শেড হালকা ফাউন্ডেশন নির্বাচন করুন।  ফাউন্ডেশন ব্লেন্ড স্পঞ্জ দিয়ে ভালোমতো ব্লেন্ডিং করুন। অয়েল ফ্রী ফাউন্ডেশন ব্যবহার করুন। এতে মেকআপ ভালোভাবে সেট হবে।

প্রয়োজনে কনসিলার (How to use Consealer)

ছবি: কনসিলার

ফাউন্ডেশনের শেড থেকে হালকা কনসিলার নির্বাচন করুন। এতে ত্বকের কালো দাগ হাইড হয়ে যাবে। চোখের নিচে ডার্ক সার্কেল থাকলে সবুজ বা হলুদ রঙের কনসিলার বেছে নিন। ফাউন্ডেশন দিয়ে যদি কালো দাগ ঢেকে ফেলা সম্ভব হয় সেক্ষেত্রে কনসিলার ব্যবহার নাও করতে পারেন।

ফেইস পাউডার (Face Powder for Base Makeup)

ছবি: ফেইস-পাউডার

বড় মেকআপ ব্রাশ দিয়ে সম্পূণ মুখে ফেইস পাউডার ব্রাশ করুন। পাউডার পাফ অথবা ফেইস পাউডারের সাথে দেওয়া স্পঞ্জ দিয়ে হালকা করে বেইজের উপর লাগিয়ে বেইজ সেট করে নিন।

চোখ মেকআপে কোন কম্প্রোমাইজ নয়

চোখের সৌন্দর্য আপনার পুরো মেকআপে বিশেষ প্রভাব ফেলে। শুরুতে চোখের ওপরের পুরো জায়গায় আই প্রাইমার দিন। এরপর আই শ্যাডো দিন। ড্রেসের সাথে মিলিয়ে দুই বা তিন শেডের আই শ্যাডো দিতে পারেন। বাড়তি সৌন্দর্য যোগ করতে ব্যবহার করতে পারেন আপনার পছন্দের অন্যকোন রঙের আই শ্যাডো।

মায়াবি চোখের প্রেমে পরেনি এমন পুরুষ খুবই কম। চোখকে মায়াবি করতে ফলস ল্যাশেস অর্থাৎ পাপড়ি বিশেষ কার্যকরি। আপনার পছন্দমতো আই ল্যাশ ব্যবহার করতে পারেন।

 আইলাইনার এবং মাশকারা (Eyeliner and Mascara)

ছবি: আইলাইনার-এবং-মাশকারা

লিকুইয়েড, জেল অথবা পেন্সিল যেকোন প্রকারে আইলাইনার দিয়ে চিকন অথবা মোটা করে চোখ আঁকতে পারেন। চোখ আকর্ষণীয় করার জন্য ঘন করে মাশকারা দিতে হবে। চোখ আকর্ষণীয় করার জন্য ঘন করে মাশকারা দিতে পারেন। একবার মাশকারা দিয়ে কিছুক্ষণ রেখে আবার মাশকারা দিন।মাশকারা দেওয়ার সময় চোখের ওপরের পাতা ওপরের দিকে উঠিয়ে দিতে হবে।পাতাগুলো যেন একটার সঙ্গে আরেকটা লেগে না যায়। আইব্রো পেনসিল দিয়ে ভ্রু এঁকে নিয়ে এরপর শুকনো মাশকারা ব্রাশ দিয়ে আঁচড়ে নেবেন।

ভ্রুর সাজ

ছবি: ভ্রুর-সাজ

একা একা ভ্রুপ্লাক করা প্রায় অসম্ভব। তাই আপাতত এ বিষয়ে চিন্তা না করে  আইব্রো পেনসিল দিয়ে ভ্রু এঁকে নিয়ে এরপর শুকনো মাশকারা ব্রাশ দিয়ে আঁচড়ে নেবেন। ভ্রুর স্বাভাবিক লুক আনতে হালকা রঙের আইশ্যাডো ভ্রুর ওপর বুলিয়ে দিন। আইব্রো ব্রাশ দিয়ে ভ্রু এর শেপ ঠিক করে নিন।

লিপস্টিক (Best Lipstick)

ছবি: লিপস্টিক

লিপস্টিক দেওয়ার আগে ঠোঁট ভাল করে পরিষ্কার করে নিন।এরপর হালকা করে লিপ বাম বা ভ্যাসলিন লাগান। ৫০ সেকেন্ড অপেক্ষা করুন।ভ্যা সলিন বা লিপ বাম শুকিয়ে গেলে লিপস্টিক দিন। দিনের বেলায় ঠোঁটের সাজ়ে ম্যাট লিপস্টিক দিলে ভালো দেখায়। রাতে ভারী লিপগ্লস ব্যবহার করতে পারেন। দীর্ঘসময় লিপিস্টিক রাখার জন্য লিপলাইনার দিয়ে ঠোঁট একেঁ নিন। হালকা পাউডার দিয়ে আবার লিপিস্টিক লাগান। ভালোমানের লিপিস্টিক ব্যবহার করুন।

শেষ ধাপে অবশ্যই ব্লাশন (Blush on Makeup)

ছবি: Blush on Makeup

মেকআপের শেষ ধাপ হলো ব্লাশনের ব্যবহার। গোলাপি রঙের ব্লাশন খুব বেশি জনপ্রিয়। আপনার গায়ের রং যদি হয় উজ্জ্বল হালকা রঙের ব্লাশন এবং শ্যামলা বা কালো ত্বকের জন্য গাঢ় রঙের ব্লাশন।

সাজগোজ শেষে মেকআপ কিটগুলো অর্গানাইজার বা বক্সে সাজিয়ে রাখুন। এতে পরবর্তী মেকআপের সময় আপনাকে বিরক্ত হতে হবে না। ভালো মানের বিদেশি মেকআপ ব্যাগ বা অর্গানাইজার পেতে ক্লিক করুন

সাজগোজ পছন্দ করে এমন ললনাদের কাছে ভেজাল প্রসাধনী হচ্ছে এক আতঙ্ক। অধিকাংশ সময় আসল-নকলের পার্থক্য বুঝে ওঠা সম্ভব হয় না। কিন্তু ব্যবহারের পর ক্ষতিকর প্রভাব দেখে অনুমান করা যায় যে ভেজালের খপ্পরে পরেছেন। অনেকেই এই খপ্পর থেকে মুক্তির উপায় খুঁজে বেড়ান হন্নে হয়ে। উপায় আপনার হাতের কাছে। বাংলাদেশের নির্ভরযোগ্য অনলাইন শপ Jadroo চীন, দুবাই, তাইওয়ান, হংকং, আমেরিকা, কোরিয়া এবং থাইল্যান্ড থেকে আমদানি করছে আসল প্রসাধনী পণ্য। তাই নিশ্চিন্তে এখানে অর্ডার করতে পারেন। ক্রেতার জন্য এখানে নানা অফার থাকে। যেমন: মূল্যছাড়, কুপন, ভাউচার এবং একটা কিনলে একটা ফ্রী।

শপিং করুন Jadroo থেকে। ভেজাল এড়িয়ে চলুন, ভেজাল প্রতিরোধে সোচ্চার হোন। ত্বকে নিয়ে আসুন কাঙিক্ষত গ্লো। উপভোগ করুন ঘরে বসে শপিং করার Happy Experience. 

Comments

  1. Normally I don’t learn post on blogs, but I would like to say that this
    write-up very forced me to take a look at and do it!
    Your writing style has been amazed me. Thanks, very
    great post.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

three × two =